Listen Our Radio

শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০০৯

banglaoffice.jpgমাইক্রোসফট অফিস ওপেন সোর্স না হলেও মেনু, সাবমেনু এবং টুলটিপ ইত্যাদি পরিবর্তনের সুবিধা দেয়। ফলে ইউনিকোড ব্যবহার করে অনায়াসে এগুলো বাংলাতে লেখা যায়। এজন্য আপনার কম্পিউটার বাংলা সেটিং করে নিতে হবে। বাংলা সেটিং এর জন্য Control Panel থেকে Regional and Language Options খুলুন এবং Language ট্যাব থেকে Install files for complex script and right-to-left language (including Thai) চেক বক্স চেক করে Ok করুন। এক্ষেত্রে আপনার উইন্ডোজ ইনষ্টলারটির প্রয়োজন হতে পারে। এবার অফিসের মেনু বাংলাতে করার জন্য ওয়ার্ড খুলন এবং টুলস মেনু থেকে Customize এ ক্লিক করুন। এবার যে মেনুটি পরিবর্তন করতে চান তার উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Name অংশে ইংরেজী নাম মুছে বাংলাতে (ইউনিকোডে কীবোর্ডর সাহায্যে) লিখুন। আপনার যদি কোন ইউনিকোড কীবোর্ড না থাকে তাহলে www.omicronlab.com থেকে অভ্র ইউনিকোড কীবোর্ড বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও অন্যকোন ভাবে ইউনিকোডের লেখা পেষ্ট করলেও হবে। একইভাবে সকল সাবমেনু এবং টুলটিপ পরিবর্তন করতে পারেন। মাইক্রোসফট অফিসের অনান্য এপলিকেশন এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট, ফন্টপেজ, একসেসও ইত্যাদি অনুরুপ পদ্ধতিতে বাংলাতে পরিবর্তন করা যাবে।

রবিবার, ২৪ মে, ২০০৯

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসম্বলিত ডকুমেন্ট থাকতে পারে যেগুলো অন্য কেউ এডিট করলে আপনার তথ্য হারিয়ে যাবে। আপনার ফাইল যাতে অন্য কেউ এডিট করতে না পারে সেজন্য দুটি পদ্ধতি সাধারণত ব্যবহার করা হয়, যাতে করে আপনার ডকুমেন্টকে শতভাগ সুরক্ষিত রাখতে পারেন। প্রথমটি হলো-

১. মেনুবার (রিবন)-এর রিভিউ ট্যাবে ক্লিক করুন, এর আগে আপনার ফাইলটি ওপেন করুন।

২. রিবনের ডানে Protect Document-এ ক্লিক করে Restrict Formating and Editing Select করুন।

৩. ডান দিকে আগত প্যানে I. Formating Restiction-এর নিচে Limit Formating to a Selection of Style-এর চেকবক্সটি চেক করে নিচেই Settings-এ ক্লিক করুন।

৪. এবার Styles-এর নিচের চেকবক্সটি চেক করুন, ফলে Chacked Styles are Currently Allowed শিরোনামে একটি বক্সে অনেকগুলো চেকবক্স থাকবে সেগুলো আনচেক করুন এবং Ok দিন।

৫. 2. Editing Restrictions-এর নিচের চেকবক্সটি চেক করুন এবং ড্রপডাউন মেনু থেকে No Changes (Read only) Select করে Yes, Start Enforcing Protection-এ ক্লিক করুন। ফলে একটি ডায়ালগবক্স আসবে।

৬. পাসওয়ার্ড রেডিও বাটন চেক করে পাসওয়ার্ড দিতে পারেন। এবার ওকে দিয়ে বের হয়ে আসুন। এখন আপনি ছাড়া আর কেউ এই ডকুমেন্ট এডিট করতে পারবে না। আপনি এডিট করার জন্য Stop Protection ক্লিক করে পাসওয়ার্ড দিয়ে, Ok দিন, ব্যাস Document আবার Editable হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো- অফিস বাটনে (উপরে বাম দিকে) ক্লিক করে PrepareEncrypt Document ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগবক্স আসবে। এতে পাসওয়ার্ড দিন। ওকে করুন আবার ডায়ালগ বক্স আসবে। এতে পাসওয়ার্ডটি

ওয়ার্ডে তৈরি করা ডকুমেন্টকে প্রাণবন্তু করে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন সাউন্ড ফাইল যুক্ত করে, যা কিছুটা হলেও মাল্টিমিডিয়ার অনুভূতি দেবে আপনাকে। নিচে বর্ণিত ধাপ অনুসরণ করে ওয়ার্ড ডকুমেন্টে সাউন্ড যুক্ত করতে পারবেন :

* যে অবস্থান থেকে সাউন্ড যুক্ত অর্থাৎ ইনসার্ট করতে চান, সেখানে কার্সর সেট করুন।
* Insert মেনু থেকে Object অপশন সিলেক্ট করলে Object ডায়ালগ বক্স আবির্ভূত হবে।
* Create from File ট্যাব সিলেক্ট করুন।
* Browse-এ ক্লিক করুন এবং আপনার কমপিউটারের হার্ডডিস্কে রক্ষিত যে সাউন্ড ফাইলকে যুক্ত করতে চান, তা সিলেক্ট করুন।
* ওকে ক্লিক করুন।
* স্পিকারের মতো দেখতে একটি আইকন আপনার ডকুমেন্টে ইনসার্ট হবে। এই স্পিকার আইকনে ডবল ক্লিক করে সাউন্ড শুনতে পারবেন।
বি:দ্র: একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনি ডুকমেন্ট মিডিয়া যেমন- ভিডিও ও ইমেজ ইনসার্ট করতে পারবেন।
জালাল।

শনিবার, ২৩ মে, ২০০৯

অফিস ২০০৭ -এ ছবি সম্পাদনা

আমরা বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে আমাদের ছবিগুলোকে সম্পদন করে থাকি। চেষ্টা করি ছবিতে আকর্শণীয় ইফেক্টস দেওয়ার। ছবি সম্পদনকারী এসকল সফটওয়্যারগুলোকে টেক্কা দিয়ে মাইক্রোসফট তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য সহজে ছবি সম্পাদন করার সুবিধা করে দিয়েছে তাদের নতুন অফিস ২০০৭ -এ। সমপ্রতি বাজারে আসা অফিস ২০০৭ -এ ছবি সম্পাদন করার বেশকিছূ নতুন এবং চমকপ্রদ সুবিধা দিয়েছে, যার সাহায্যে কোন ঝামেলা বা অভিজ্ঞতা না থাকা সত্তেও সহজে বিভিন্ন স্টাইলে ছবিগুলোকে (ইফেক্টস ব্যবহার করে) সম্পাদন করা যাবে। এজন্য প্রথমে (মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট -এর) Insert ট্যাব থেকে Picture বাটনে ক্লিক করে নতুন ছবি আনুন। এবার ছবিটি নির্বাচন করলে ডানদিকে Format নামে নতুন ট্যাব আসবে যা নির্বাচন করুন (অথবা ছবির উপরে মাউস দুইবার ক্লিক করুন)। এখন Format ট্যাব থেকে Picture Styles রিবোন এর ভিজ্যুয়াল স্টাইল থেকে পছন্দের স্টাইল (স্ক্রলবারের সাহায্যে সব স্টাইল দেখে নিতে পারেন) সিলেক্ট করুন। এছাড়াও Picture Shape থেকে পছন্দের শেপের আকারে ছবি তৈরী করতে পারেন, পূর্বের মতো Picture Border থেকে বর্ডার নির্বাচন করতে পারেন এবং Picture Effects থেকে প্রায় শতাধিক নতুন ত্রিমাত্রিক ইফেক্টস ব্যবহার করতে পারেন। আর Format Picture থেকে সকল স্টাইল বা ইফেক্টস পরিবর্তন করে ইচ্ছামত ব্যবহার করতে পারেন। স্টাইল এবং ইফেক্টস একই সাথে ব্যবহার করে ছবিকে আকর্শনীয় করে তুলতে পারেন অফিস ২০০৭ -এর সাহায্যে।

শুক্রবার, ২২ মে, ২০০৯

অফিস ২০০৭ -এ শব্দ যোগ করা

অফিস ২০০৭ -এর নতুন নতুন চমকের মধ্যে অফিসে শব্দ যুক্ত করা অন্যতম। অফিসে ২০০৭ -এ কাজ করার সময় কোন কিছূ পেষ্ট করলে, আনডু, রিডু করার সময়, নতুন কিছু সেভ করলে, জুম দেখার সময়, কোন টাক্স খোলার সময়, ডিলিট করলে এভাবে বিভিন্ন কাজের সময় ভিন্ন ভিন্ন আকর্শনীয় শব্দ শোনাবে। এজন্য সাউন্ড প্লাগ-ইন্স http://download.microsoft.com বা http://freeoffice2007.50webs.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এই প্লাগ-ইন্স অফিস ২০০৩ বা এক্সপিতেও চলবে। এবার ওয়ার্ড ২০০৭ ওপেন করে Microsoft Office Button থেকে Word Options ক্লিক করুন। এরপর Advanced অপশন থেকে নিচের General অংশে Provide feedback with sound চেক করুন। ওয়ার্ডে সেটিংস করলে অফিসের অনান্য প্যাকেজেও শব্দ শুনতে পাবেন।

এখনতো অনেকেই অফিস ভিসতা বা অফিস ২০০৭ ব্যবহার করছে। ধরুন আপনার কম্পিউটার থেকে অফিস ২০০৭ ব্যবহার করে ওয়ার্ডে একটি ডকুমেন্ট ˆতরী করে অফিসে নিয়ে গেলেন। কিন্তু আপনার অফিসের কম্পিউটারে ইনষ্টল করা আছে অফিস ২০০৭ এর পূর্বের কোন এক ভার্সন। এখন ফাইলটি ওপেন করতে গিয়েই দেখলেন তা ওপেন হচ্ছে না। (মূলত:.doc এর পরিবর্তে .docx হবার ফলে)। এখন খুবই দরকারী এই ফাইলটি নিয়ে বাসায় আসাও সম্ভব নয়। আবার অফিসের কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ ইনষ্টল করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে মুক্তি দেবে মাইক্রোসফটের একটি প্লাগ-ইন্স সফটওয়্যার। ‘ফাইল ফরমেট কনর্ভাটারস' সফটওয়্যারের মাধ্যমে অফিস ২০০৭ এর ফাইল পূর্বের ভার্সনে রূপান্তর করা যাবে (এছাড়াও অফিস ২০০৭ এর পূর্বের ভার্সনের ফাইলকে অফিস ২০০৭-এ রূপান্তর করা যাবে)। এজন্য সফটওয়্যারটি মাইক্রোসফটের নিজস্ব ওয়েবসাইট http://download.microsoft.com/ থেকে http://freeoffice2007.50webs.com/ থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এবার উক্ত ফাইলটির উপরে মাউসের ডার বাটন ক্লিক করে Save As.. ক্লিক করুন তাহলে Save As ডায়ালগ বক্স আসবে (ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ার পয়েন্ট)। এবার Save বাটনে ক্লিক করুন এবং পরর্বতী ম্যাসেজে ওকে করুন। ব্যাস এবার ডকুমেন্টটি খুলুন অফিস ২০০৭ এর পূর্বের যেকোন ভার্সনে।

আমরা এইচটিএমএল, ফন্ট পেজ, ড্রিম ওভার বা অন্য কোন যায়গা থেকে ওয়েব পেজ তৈরী করতে পারি। তবে এক্সেল থেকেও সুন্দর ওয়েব পেজ তৈরী করা যায় খুব সহজে। এতে একই সাথে অনেক গুলো ওয়ার্কশীটের ব্যবহার করা যাবে কোন খাটুনি ছাড়ায়। এজন্য একাধিক ওয়ার্কশীট আছে এমন ডকুমেন্ট ওপেন করুন। এবার ফাইল মেনু থেকে Save as Web Page -এ ক্লিক করুন তাহলে Save As ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে ফাইলের Mehdi নাম দিয়ে সেভ করুন তাহলে সাধারণভাবে ওয়েব Mehdi.htm নামে পেজ তৈরী হবে এবং Mehdi_files নামে একটি ফোল্ডারে তার অন্যান্য এইচটিএম ফাইলগুলো এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সেভ হবে। এখানে উল্লেখ্য, কোন ডকুমেন্টে যদি পাসওয়ার্ড থাকে তাহলে ওয়েব পেজ তৈরীর সময় একটি মেসেজ দেবে, তাতে ওকে করলেই হবে কিন্তু ওয়ার্কশীট পাসওয়ার্ড থাকলে তা রিমুভ করে রাখতে হবে। কারণ ওয়ার্কশীটে পাসওয়ার্ড থাকলে তার ওয়েব পেজ তৈরী হবে না। আপনি যদি শুধু একটি ওয়ার্কশীটকে ওয়েব পেজ হিসাবে সেভ করতে চান, তাহলে Save As ডায়ালগ বক্স হতে Selection অপশন বাটন চেক করুন। এক্সেল হতে ওয়েব পেজ তৈরী করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এখান থেকে ওয়েব পেজ তৈরী করলে তা একই এইচটিএম ফাইলে সেভ করা যাবে। এজন্য Save As ডায়ালগ বক্স হতে Add interactivity চেক বক্স সিলেক্ট করে ফাইলের নাম দিয়ে সেভ করুন তাহলে সমস্ত ওয়ার্কশীট এক ফাইলে সেভ হবে। এবার ওয়েব পেজ ওপেন করে দেখুন প্রথম ওয়ার্কশীটকে দেখা যাচ্ছে এবং নিচে ওয়ার্কশীটের নাম আছে। এখন এর উপর ক্লিক করে অন্য ওয়ার্কশীট সিলেক্ট করতে পারবেন। এই পেজ থেকে এক্সেলের অন্যান্য সব সুবিধা পাওয়া যাবে।